ই*সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....

Image
  ই*  সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....see more  ই*সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....see more ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি)। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুপন্থি জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুবিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব দলগুলো পেয়েছে ১৯টি আসন। ফলে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। কয়েক দশকের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি। মোট ভোট দিয়েছেন ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২৭টি আসন। ইয়াশার পার্টি পেয়েছে ২১টি, বি’ইয়াচাদ ১২টি, জয়েন্ট লিস্ট ১১টি, দ্য ডেমোক্র্যাটস ৮টি এবং রা’আম ৮টি আসন। এ ছাড়া ইসরাই...

কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী

Advertisement

          

 কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী..more


সহ/বাসের সময় একজন নারী তার শরীরের কোথায় বেশী আদর পেতে চায়? অনেক পুরুষ এটা জানেই না








সহ/বাসের সময় বা মিলনের আগে শারীরিক তৃপ্তি এবং ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আদর (Foreplay) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো কোন_ধরনের_নারীর_ ভিন্ন হতে পারে, তবে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ অত্যন্ত সংবেদনশীল।








নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
































১. ক্লিটোরিস (Clitoris)
































নারীর শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো ক্লিটোরিস বা ভগশিন্ম। এতে হাজার হাজার স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। যৌ/ন উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং অর্গাজম বা চূড়ান্ত তৃপ্তি পেতে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে এই অংশে সঠিক ও মৃদু স্পর্শ সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
































































২. ঘাড় এবং গলা
































নারীর ঘাড় এবং কানের পেছনের অংশ অত্যন্ত কামোদ্দীপক। মিলন শুরুর আগে এই স্থানে হালকা চুম্বন বা নিঃশ্বাসের স্পর্শ নারীদের দ্রুত উত্তেজিত হতে সাহায্য করে।
































































৩. স্তন এবং স্তনবৃন্ত (Breasts and Nipples)
































সহ/বাসের সময় স্তন ও স্তনবৃন্তের আদর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হালকা ম্যাসাজ বা চুম্বন শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তবে মনে রাখবেন, এখানে খুব বেশি চাপ প্রয়োগ না করে আলতোভাবে আদর করা উচিত।
































































৪. ঠোঁট ও মুখ
































চুম্বন ঘনিষ্ঠতা তৈরির প্রথম ধাপ। দীর্ঘ ও গভীর চুম্বন সঙ্গিনীর মনে আবেগের সঞ্চার করে এবং তাকে মিলনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে।
































































৫. পিঠ এবং কোমর
































নারীর মেরুদণ্ডের নিচের অংশ এবং কোমরের দিকটা বেশ স্পর্শকাতর। সঙ্গিনীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা বা পিঠে আলতো হাতের স্পর্শ তাকে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দ দেয়।
































































৬. ঊরু এবং তলপেট
































ঊরুর ভেতরের অংশ এবং তলপেটে হালকা স্পর্শ বা আদর যৌ/ন উত্তেজনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি যৌ/নাঙ্গের খুব কাছাকাছি হওয়ায় শরীরে শিহরণ তৈরি করে।
































































৭. কান
































কানের লতি এবং কানের আশেপাশে ফিসফিস করে কথা বলা বা হালকা চুম্বন অনেক নারীর কাছেই অত্যন্ত উত্তেজনাকর।
































































কিছু জরুরি পরামর্শ:
































 * পারস্পরিক সম্মতি: যেকোনো ধরনের শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর ইচ্ছা এবং সম্মতির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
































 * ধৈর্য ও সময়: তাড়াহুড়ো না করে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফোরপ্লে বা আদর করা উচিত। এটি মিলনকে আরও আনন্দদায়ক ও বেদনাদায়ক হওয়া থেকে রক্ষা করে।
































 * যোগাযোগ: আপনার সঙ্গিনী কোথায় বেশি আনন্দ পাচ্ছেন, তা জানার সেরা উপায় হলো তার সাথে কথা বলা। তার শরীরি ভাষা (Body Language) খেয়াল করুন।
































































হ্যা এবার আসুন আসল কথায় 
































যৌ/ন শক্তি কমে গেলে বা যৌ/ন রোগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া যৌ/ন রোগ ভালো হয়না। অনেকে মনে করে কিছুদিন পুষ্টিকর খাবার খাবো আর রেষ্ট নিবো তাহলেই রোগ সেরে যাবে কিন্তু একবার রোগ জন্ম নিলে বিনা চিকিৎসায় ভালো হবার সম্ভাবনা নেই। মনে রাখবেন যৌ/ন রোগের জন্য অন্য চিকিৎসার তুলনায় বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা সবচেয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী। কারন অন্য চিকিৎসায় ওষধে নিশ্চিত ক্যা"মিকেল থাকে যা কিছুটা উপকার করলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষ/তির সম্ভাবনা আছে আর ভালো হেকিমের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিলে তিনি সঠিক ভেষজ দ্বারা ওষধ হাতে বানিয়ে দিবে যাহা কিছুদিন সেবনের ফলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ। 




















































       

 কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী..more


সহ/বাসের সময় একজন নারী তার শরীরের কোথায় বেশী আদর পেতে চায়? অনেক পুরুষ এটা জানেই না








সহ/বাসের সময় বা মিলনের আগে শারীরিক তৃপ্তি এবং ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আদর (Foreplay) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো কোন_ধরনের_নারীর_ ভিন্ন হতে পারে, তবে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ অত্যন্ত সংবেদনশীল।








নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
































১. ক্লিটোরিস (Clitoris)
































নারীর শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো ক্লিটোরিস বা ভগশিন্ম। এতে হাজার হাজার স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। যৌ/ন উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং অর্গাজম বা চূড়ান্ত তৃপ্তি পেতে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে এই অংশে সঠিক ও মৃদু স্পর্শ সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
































































২. ঘাড় এবং গলা
































নারীর ঘাড় এবং কানের পেছনের অংশ অত্যন্ত কামোদ্দীপক। মিলন শুরুর আগে এই স্থানে হালকা চুম্বন বা নিঃশ্বাসের স্পর্শ নারীদের দ্রুত উত্তেজিত হতে সাহায্য করে।
































































৩. স্তন এবং স্তনবৃন্ত (Breasts and Nipples)
































সহ/বাসের সময় স্তন ও স্তনবৃন্তের আদর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হালকা ম্যাসাজ বা চুম্বন শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তবে মনে রাখবেন, এখানে খুব বেশি চাপ প্রয়োগ না করে আলতোভাবে আদর করা উচিত।
































































৪. ঠোঁট ও মুখ
































চুম্বন ঘনিষ্ঠতা তৈরির প্রথম ধাপ। দীর্ঘ ও গভীর চুম্বন সঙ্গিনীর মনে আবেগের সঞ্চার করে এবং তাকে মিলনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে।
































































৫. পিঠ এবং কোমর
































নারীর মেরুদণ্ডের নিচের অংশ এবং কোমরের দিকটা বেশ স্পর্শকাতর। সঙ্গিনীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা বা পিঠে আলতো হাতের স্পর্শ তাকে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দ দেয়।
































































৬. ঊরু এবং তলপেট
































ঊরুর ভেতরের অংশ এবং তলপেটে হালকা স্পর্শ বা আদর যৌ/ন উত্তেজনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি যৌ/নাঙ্গের খুব কাছাকাছি হওয়ায় শরীরে শিহরণ তৈরি করে।
































































৭. কান
































কানের লতি এবং কানের আশেপাশে ফিসফিস করে কথা বলা বা হালকা চুম্বন অনেক নারীর কাছেই অত্যন্ত উত্তেজনাকর।
































































কিছু জরুরি পরামর্শ:
































 * পারস্পরিক সম্মতি: যেকোনো ধরনের শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর ইচ্ছা এবং সম্মতির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
































 * ধৈর্য ও সময়: তাড়াহুড়ো না করে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফোরপ্লে বা আদর করা উচিত। এটি মিলনকে আরও আনন্দদায়ক ও বেদনাদায়ক হওয়া থেকে রক্ষা করে।
































 * যোগাযোগ: আপনার সঙ্গিনী কোথায় বেশি আনন্দ পাচ্ছেন, তা জানার সেরা উপায় হলো তার সাথে কথা বলা। তার শরীরি ভাষা (Body Language) খেয়াল করুন।
































































হ্যা এবার আসুন আসল কথায় 
































যৌ/ন শক্তি কমে গেলে বা যৌ/ন রোগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া যৌ/ন রোগ ভালো হয়না। অনেকে মনে করে কিছুদিন পুষ্টিকর খাবার খাবো আর রেষ্ট নিবো তাহলেই রোগ সেরে যাবে কিন্তু একবার রোগ জন্ম নিলে বিনা চিকিৎসায় ভালো হবার সম্ভাবনা নেই। মনে রাখবেন যৌ/ন রোগের জন্য অন্য চিকিৎসার তুলনায় বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা সবচেয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী। কারন অন্য চিকিৎসায় ওষধে নিশ্চিত ক্যা"মিকেল থাকে যা কিছুটা উপকার করলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষ/তির সম্ভাবনা আছে আর ভালো হেকিমের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিলে তিনি সঠিক ভেষজ দ্বারা ওষধ হাতে বানিয়ে দিবে যাহা কিছুদিন সেবনের ফলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ। 





















































Comments

Popular posts from this blog

নতুন করে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করলো সরকার ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম…See more

আইফোনের নয়, অপ্রতীম হ*ত্যার পেছনে আরও যে কারণের কথা বললেন তদন্তকারীরা

নিজের ছেলে কেমনে পারলো...more