ই*সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....

Image
  ই*  সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....see more  ই*সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....see more ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি)। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুপন্থি জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুবিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব দলগুলো পেয়েছে ১৯টি আসন। ফলে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। কয়েক দশকের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি। মোট ভোট দিয়েছেন ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২৭টি আসন। ইয়াশার পার্টি পেয়েছে ২১টি, বি’ইয়াচাদ ১২টি, জয়েন্ট লিস্ট ১১টি, দ্য ডেমোক্র্যাটস ৮টি এবং রা’আম ৮টি আসন। এ ছাড়া ইসরাই...

অব,শেষে দেলো,য়ার হো,সেন সাঈ,দীর হ-ত্যা-র দায়ে ডাক্তা,রকে

Advertisement

   অবশেষে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর হ-ত্যা-র দায়ে ডাক্তারকে



জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুর পর তাঁর চিকিৎসা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের দাবি ছড়িয়ে পড়েছিল। এর মধ্যে একটি দাবিতে বলা হয়, সাঈদীকে হত্যার দায়ে তাঁর চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রতিবেদন যাচাই করে এই দাবির সঙ্গে বাস্তব ঘটনার মিল পাওয়া যায় না।


প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাঈদীর চিকিৎসা করা চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামানকে সাঈদীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং সাঈদীর মৃত্যুর পর ওই চিকিৎসক নিজেই প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে পুলিশের কাছে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।


দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ২০২৩ সালের ১৩ আগস্ট অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেওয়া হয়। সেখানে হৃদ্‌রোগ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক চৌধুরী মেশকাত আহমেদের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। ১৪ আগস্ট রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।


সাঈদীর চিকিৎসায় থাকা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের একজন ছিলেন অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি চিকিৎসক হিসেবে তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু সাঈদীর মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের প্রচারণা শুরু হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগমাধ্যমেও ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি আসতে থাকে বলে তিনি পুলিশকে জানান।সাঈদীর মৃত্যুকে ঘিরে পরবর্তী সময়ে নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে এলেও কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আদালতের নথি, তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তথ্যের ওপর নির্ভর করা প্রয়োজন।

Comments

Popular posts from this blog

নতুন করে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করলো সরকার ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম…See more

আইফোনের নয়, অপ্রতীম হ*ত্যার পেছনে আরও যে কারণের কথা বললেন তদন্তকারীরা

নিজের ছেলে কেমনে পারলো...more