ই*সরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, যত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল....
দাম্পত্য জীবনে স্তন ও সেক্সুয়াল প্লে: ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
ইসলাম দাম্পত্য জীবনকে ভালোবাসাময় ও আনন্দদায়ক করতে উৎসাহ দেয়। স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক শারীরিক উপভোগের ক্ষেত্রে ইসলাম অত্যন্ত উদার ও স্পষ্ট নীতি নির্ধারণ করেছে।
১. স্তন স্পর্শ, চুম্বন ও উদ্দীপনার বিধান
ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পুরো শরীর থেকে আনন্দ গ্রহণ করতে পারেন। এতে কোনো আইনি বাধা নেই। মিলনের পূর্বে বা চলাকালীন স্ত্রীর স্তনে চুম্বন করা, স্পর্শ করা বা চোষা সম্পূর্ণরূপে বৈধ (জায়েয)। যৌন মিলনের আগে পারস্পরিক আদর-সোহাগ (ফোরপ্লে) করাকে ইসলামি চিন্তাবিদগণ প্রশংসনীয় ও পছন্দনীয় (মুস্তাহাব) হিসেবে গণ্য করেছেন, যা স্ত্রীর যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
২. স্ত্রীর স্তনদুগ্ধ সংক্রান্ত বিধান
স্ত্রী যদি দুগ্ধদানকারী হন, তবে স্বামী স্তন চোষার সময় স্ত্রীর দুধ পান করা থেকে বিরত থাকবেন। প্রাপ্তবয়স্ক স্বামীর জন্য স্ত্রীর দুধ পান করা অনুচিত ও অপছন্দনীয়। তবে খেয়ালবশত বা ভুলক্রমে সামান্য দুধ মুখে চলে গেলে বা পেটে ঢুকে গেলে দাম্পত্য সম্পর্ক বা বৈবাহিক বন্ধনে কোনো প্রভাব পড়বে না (অর্থাৎ এর মাধ্যমে কোনো বৈবাহিক ক্ষতি বা বিচ্ছেদ ঘটবে না)। তবুও সতর্ক থাকা এবং স্বেচ্ছায় দুধ পান করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।
৩. ফোরপ্লে এবং স্ত্রীর তৃপ্তি
ইসলামি নীতিমালায় স্ত্রীকে পরিপূর্ণ শারীরিক ও মানসিক তৃপ্তি দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সরাসরি মিলনে লিপ্ত না হয়ে আগে স্পর্শ ও আদর-সোহাগের মাধ্যমে প্রস্তুতি নেওয়া স্ত্রীর শারীরিক পরিতৃপ্তির জন্য অত্যন্ত কার্যকর, যা শরিয়তসম্মত।
৪. শালীনতা ও পারস্পরিক রুচিবোধ
যদিও দাম্পত্যে পারস্পরিক অঙ্গ উপভোগের ব্যাপক স্বাধীনতা রয়েছে, তবুও ইসলাম সব ক্ষেত্রে শালীনতা, পরিচ্ছন্নতা ও সুস্থ রুচিবোধ বজায় রাখতে উৎসাহিত করে। এমন কোনো আচরণ থেকে বিরত থাকা উচিত যা অপর সঙ্গীর নিকট অস্বস্তিকর বা অনভিপ্রেত মনে হয়।
সারসংক্ষেপ
ইসলামি নীতিমালার মূল বিষয় হলো—নির্ধারিত দুটি নিষেধাজ্ঞা (মাসিক/নেসফাসের সময় সহবাস এবং পায়ুসঙ্গম) ব্যতীত নির্জনে স্বামী-স্ত্রী পারস্পরিক সম্মতিতে যেকোনো উপায়ে শারীরিক আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। স্তনের উদ্দীপনা ও স্পর্শ এই বৈধ আনন্দেরই একটি স্বাভাবিক অংশ।
Comments
Post a Comment